রবিবার, ২৯ মে ২০২২ | ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

হারানো ইমেইল খুঁজতে গিয়ে পেলেন ৩০ লাখ ডলার

অনলাইন ডেস্ক
২৪ জানুয়ারি ২০২২ ১৭:০২ |আপডেট : ২৫ জানুয়ারি ২০২২ ১১:২০
ইনবক্সের স্পাম ফোল্ডারেই ছিল লটারিতে লরা স্পিয়ার্সের ৩০ লাখ ডলার জয়ের খবর
ইনবক্সের স্পাম ফোল্ডারেই ছিল লটারিতে লরা স্পিয়ার্সের ৩০ লাখ ডলার জয়ের খবর

পুরোনো ইমেইল খুঁজতে গিয়ে লটারিতে জেতা ৩০ লাখ ডলারের সন্ধান পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের এক নার্স। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২৬ কোটি টাকার সমপরিমাণ। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে জানা যায়, তার ইনবক্সের স্পাম ফোল্ডারেই ছিল লটারিতে তার ৩০ লাখ ডলার জয়ের খবরটি।

রোববার (২৩ জানুয়ারি) ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিশিগানের বাসিন্দা লরা স্পিয়ার্স (৫৫) পেশায় একজন নার্স। গত ৩১ ডিসেম্বর ওই লটারির টিকিট কেটেছিলেন তিনি, কিন্তু ভুলেই গিয়েছিলেন ওই টিকিটের কথা। স্পাম ফোল্ডারে পাওয়া মেসেজের সূত্রেই পরে জানতে পারেন যে, তার কাটা টিকিটের নাম্বারটিই ড্রতে সর্বোচ্চ পুরস্কার পেয়েছে।

মিশিগানের ওকল্যান্ড কাউন্টির বাসিন্দা লরা জানান, আমি শুনছিলাম মিশিগান লটারির মেগা মিলিয়ন ড্রতে অনেকেই পুরস্কার পাচ্ছেন, তাই আমিও বছরের শেষ দিনে হঠাৎ ঝোঁকের বশেই একটা টিকিট কিনে নিয়েছিলাম। আমি এর আগে কখনো লটারির টিকিট কাটিনি।

তিনি আরও জানান, টিকিট কাটার প্রায় ১৫ দিন পরও ইনবক্সে কোনো ইমেইল না আসায় ভেবেছিলাম হয়তো কোনো পুরস্কার জিতিনি আমি। তবে এক বন্ধুর প্রয়োজনেই পুরোনো ইমেইল খুঁজতে স্পাম বক্সে ঢুকে আবিস্কার করি যে পুরস্কার জিতেছি।

লটারি সংস্থাটি জানিয়েছে, লরার টিকিটের নম্বর ছিল ২-৫-৩০-৪৬-৬১। লাকি ড্রয়ে নম্বর মিলে যাওয়ায় লটারির সর্বোচ্চ পুরস্কার ৩০ লাখ ডলার পেয়ে যান লরা।

আকস্মিক এমন লটারি জয়ের পর স্তম্ভিত লরা জানান, আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। তাই আবারও নিশ্চিত হতে আমি লটারির অ্যাকাউন্টে লগ ইন করি। আমি এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না যে, আমি আসলেই ৩০ লাখ ডলার পুরস্কার পেয়েছি! তবে আমি আমার ইমেইলের সেটিংস অবশ্যই পরিবর্তন করবো, যাতে ভবিষ্যতে লটারি জয়ের খবর আর মিস না হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে লরা জানিয়েছেন, এখন আগেভাগেই চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার কথা ভাবছি। পরিবারের সাথে পুরস্কারের অর্থ ভাগাভাগির পরিকল্পনাও আছে।



মন্তব্য করুন

সর্বশেষ খবর
এই বিভাগের আর খবর