যুক্তরাষ্ট্রে শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল হলে যা যা করবেন
ছবি :সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণে শিক্ষার্থী ভিসা পাওয়া বড় একটি অর্জন। ভিসা পাওয়ার পরও শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। কারণ, নিয়ম ভঙ্গ করলে মার্কিন শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল বা প্রত্যাহার হতে পারেন, যা শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ও যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ অবস্থান-দুটোকেই ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে।
দীর্ঘ সময় যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকা: কোনো শিক্ষার্থী যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের
অনুমতি বা তথ্য ছাড়া পাঁচ মাসের বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকেন, তাহলে তার ভিসা
বাতিল হতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয় পরিবর্তনের তথ্য হালনাগাদ না করা: এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
থেকে অন্যটিতে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ভিসা–সংক্রান্ত রেকর্ড
যথাযথভাবে আপডেট না করলে শিক্ষার্থীকে অনুপস্থিত হিসেবে দেখানো হতে পারে। এতে ভিসা
বাতিলের ঝুঁকি তৈরি হয়।
প্রতারণামূলক কার্যক্রম: ভুয়া তথ্য বা নথি জমা দেয়া, অনুমতি ছাড়া কাজ
করা কিংবা অন্য কোনো জালিয়াতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে ভিসা বাতিল হতে পারে।
ভিসার শর্ত পূরণে ব্যর্থতা: শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতির পরিবর্তন
বা নতুন কোনো তথ্যের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ মনে করল যে তিনি আর ভিসার শর্ত পূরণ করছেন
না, সে ক্ষেত্রেও ভিসা বাতিল হতে পারে।
এ ছাড়া নিরাপত্তা বা অপরাধসংক্রান্ত তৃতীয় পক্ষের অভিযোগও কখনো কখনো
ভিসা বাতিলের কারণ হতে পারে।
ভিসা বাতিল হলে যা করবেন
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভিসা বাতিল হলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ
নেয়া জরুরি।
প্রথমেই কেন ভিসা বাতিল হয়েছে, তা বুঝতে হবে। প্রশাসনিক ত্রুটি, দীর্ঘ
অনুপস্থিতি বা অন্য কোনো কারণে এমনটি হয়েছে কি না, তা জানা গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞরা নিচের কাজগুলোর ওপর জোর দিয়েছেন:
*প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী
সেবা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা।
*যদি মনে হয়, সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল বা ব্যাখ্যা দেয়ার সুযোগ আছে, যেমন
চিকিৎসার কারণে অনুপস্থিতি, তাহলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবার আবেদন বা আপিল করা যেতে
পারে।
*জটিল পরিস্থিতিতে অভিবাসন আইনজীবীর সহায়তা নেয়া কার্যকর হতে পারে। তারা
পুরো প্রক্রিয়ায় দিকনির্দেশনা দিতে পারেন।
*কিছু ট্রাভেল বা স্টুডেন্ট ইনস্যুরেন্সে ভিসা বাতিলজনিত ক্ষতির আংশিক
আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা থাকতে পারে। তাই বিমা নীতিমালা দেখে নেয়া উচিত।
দ্রুত পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ
বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল হওয়া নিঃসন্দেহে কঠিন পরিস্থিতি।
তবে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং সঠিক তথ্য জানা থাকলে
অনেক ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সামাল দেয়া সম্ভব হতে পারে।
সর্বশেষ খবর
- গণমাধ্যম ও উদ্যোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: তথ্যমন্ত্রী
- দেশের প্রতিটি বাড়িতে নিরাপদ ও আন্তর্জাতিকমানের ওয়ালটন ক্যাবলস পৌঁছে দেয়ার প্রত্যয়
- ওয়ালটন ই-বাইক ও কম্পিউটার মেগা ডিল অফারে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশভাউচার পাওয়ার সুযোগ
- সবুজ বাংলার রক্তাক্ত অধ্যায়: ১৯৭১ থেকে আজকের রাষ্ট্রচিন্তা
- বন্যা-পরবর্তী বাংলাদেশ: পুনর্গঠনের বড় চ্যালেঞ্জ
মন্তব্য করুন